সুন্দরবনে বাঘের সাঁতার দেখা যায়। বাঘ সাঁতার কেটে খালের বাঁ দিক থেকে ডান পাড়ের দিকে সাঁতার কাটছে। বাঘটি গোলপাতার সারির মধ্য দিয়ে বনের গভীরে মিলিয়ে গেল। সুন্দরবনের বাঘ সাঁতারে বেশ পটু। অনায়াসে ছোট বড় নদী-খাল পার হয়। বেড়ির খালটি বেশ সরু, গড়পড়তা ৫০ থেকে ৬০ মিটার চওড়া হবে। সুন্দরবনের বাঘ প্রতিনিয়ত এমন খাল পার হয়ে থাকে। শিকারের খোঁজে কিংবা নিজের টেরিটোরি পাহারা দিতে গিয়ে সুন্দরবনের বাঘকে ভালো সাঁতারু হয়ে উঠতে হয়। শিকার ধরার কৌশল শেখানোর পাশাপাশি সুন্দরবনের কাদা-শুলো মাড়িয়ে কিংবা জোয়ার-ভাটার সুন্দরবনের নদী-খাল পারাপারে এক দক্ষ সাঁতারু হিসেবে গড়ে তোলে।
সুন্দরবনের বাঘ সাঁতারে বেশ পটু। অনায়াসে ছোট বড় নদী-খাল পার হয়। বেড়ির খালটি বেশ সরু, গড়পড়তা ৫০ থেকে ৬০ মিটার চওড়া হবে। সুন্দরবনের বাঘ প্রতিনিয়ত এমন খাল পার হয়ে থাকে। শিকারের খোঁজে কিংবা নিজের টেরিটোরি পাহারা দিতে গিয়ে সুন্দরবনের বাঘকে ভালো সাঁতারু হয়ে উঠতে হয়। শিকার ধরার কৌশল শেখানোর পাশাপাশি সুন্দরবনের কাদা-শুলো মাড়িয়ে কিংবা জোয়ার-ভাটার সুন্দরবনের নদী-খাল পারাপারে এক দক্ষ সাঁতারু হিসেবে গড়ে তোলে।
সুন্দরবনের বাঘ সাঁতারে বেশ পটু। অনায়াসে ছোট বড় নদী-খাল পার হয়। বেড়ির খালটি বেশ সরু, গড়পড়তা ৫০ থেকে ৬০ মিটার চওড়া হবে। সুন্দরবনের বাঘ প্রতিনিয়ত এমন খাল পার হয়ে থাকে। শিকারের খোঁজে কিংবা নিজের টেরিটোরি পাহারা দিতে গিয়ে সুন্দরবনের বাঘকে ভালো সাঁতারু হয়ে উঠতে হয়। শিকার ধরার কৌশল শেখানোর পাশাপাশি সুন্দরবনের কাদা-শুলো মাড়িয়ে কিংবা জোয়ার-ভাটার সুন্দরবনের নদী-খাল পারাপারে এক দক্ষ সাঁতারু হিসেবে গড়ে তোলে।






