টাঙ্গুয়ার হাওরে ফেব্রুয়ারি মাসে পানি একেবারে কমে যায়। পরিযায়ী পাখির খাবারের সুবিধার জন্য এ সময়টা একেবারে ঠিকঠাক। এবার টাঙ্গুয়ায় গেলাম ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখে। পরের দিন পাখিশুমারি করব। টাঙ্গুয়ার এই লেচুয়ামারা বিলটি পাখিদের স্বর্গ। দুই যুগ ধরে এই বিলে নিয়মিত পাখি গণনা করি। এই এক বিলেই দেখা মেলে এক লাখের বেশি জলচর পরিযায়ী হাঁসের।
টাঙ্গুয়ার হাওরে এবার ৪৭ জাতের ২৯ হাজার পাখি দেখা গেছে। এর মধ্যে পরিযায়ী প্রজাতি ছিল ৩৬টি। সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় দেখা গেছে লালমাথা ভূতিহাঁস। সংখ্যায় প্রায় ৬ হাজার।
টাঙ্গুয়ার হাওরে গোচারণের ফলে ঘাসবন ধ্বংস হয়েছে। হাওরে এমন পাখির আর বাসা বানানোর জায়গা নেই বললেই চলে। টাঙ্গুয়ার এই লেচুয়ামারা বিলটি পাখিদের স্বর্গ। দুই যুগ ধরে এই বিলে নিয়মিত পাখি গণনা করি। এই এক বিলেই দেখা মেলে এক লাখের বেশি জলচর পরিযায়ী হাঁসের।






