অ্যাডেনোমায়োসিস এমন একটি অবস্থা যেখানে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণ জরায়ুর পেশির ভেতরে প্রবেশ করে। ফলে জরায়ু বড় হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এটি মূলত ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
অ্যাডেনোমায়োসিসের লক্ষণ অনেক সময় ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং ক্রমেই তীব্র হয়। মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা হতে পারে। অতিরিক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ হয়। আর মাসিকের আগে বা পরে স্পটিং হয়ে থাকে।
অ্যাডেনোমায়োসিসকে প্রায়ই সাধারণ ‘ব্যথাযুক্ত মাসিক’ বা ফাইব্রয়েডের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়। আবার অনেক নারী মাসিকের ব্যথাকে স্বাভাবিক মনে করে চিকিৎসকের কাছে যান না। ফলে রোগটি দেরিতে শনাক্ত হয়, যখন উপসর্গ অনেক বেশি তীব্র হয়ে যায়।













