ইসলাম শুধু উপার্জনের নির্দেশ দেয়নি, বরং সেই উপার্জন যেন অবশ্যই হালাল হয় এবং হারামের প্রতিটি ছায়া থেকে মুক্ত থাকে, তার প্রতি কঠোর তাগিদ দিয়েছে। এটি মূলত ‘তাকওয়া’র অংশ। কারণ, হারামের সংমিশ্রণ ঘটলে মানুষের আমল কবুল হয় না এবং তার দোয়া আরশে পৌঁছায় না।
হালাল উপার্জন কেবল পরকালেই নয়, দুনিয়াতেও মানুষের জীবনে প্রশান্তি নিয়ে আসে। এর সুফলগুলো হলো: বিপদ-আপদ থেকে সুরক্ষা, ইবাদতে একাগ্রতা, সন্তানের সঠিক গঠন।
ইসলাম শ্রমের মর্যাদা দিয়েছে এবং ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করেছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিজের হাতের উপার্জিত খাবারের চেয়ে উত্তম খাবার কেউ কখনো খায়নি। আল্লাহর নবী দাউদ (আ.) নিজের হাতের কামাই খেতেন।’












