জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত

আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ। সময়ের আবর্তে পুণ্যময় এই মাসটি আবারও আমাদের দুয়ারে। জিলহজ মাস বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম ‘হজ’ এই জিলহজ মাসেই সম্পাদন করতে হয়। পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ত্যাগের অনন্য নিদর্শন কোরবানিও এই মাসের প্রথমার্ধে পালন করা হয়।

হজ ও কোরবানি ছাড়াও জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন।

জিলহজের প্রথম দশকের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি আমল নিচে দেওয়া হলো: ১. অধিক পরিমাণে জিকির করাপবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির করো এবং সকাল-সন্ধ্যা তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করো।’

২. নেক আমলে মনোযোগী হওয়ানবীজির নির্দেশনা থেকে স্পষ্ট যে জিলহজের প্রথম দশকের নেক আমল আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। তাই এই সময়ে কোরআন পাঠ, নফল নামাজ, দান-সদকাসহ সব ধরনের ভালো কাজে আত্মনিয়োগ করা উচিত।

৩. গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাহারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকা অন্যতম বড় ইবাদত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকো, তবেই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইবাদতকারী হতে পারবে।’

৪. নখ ও চুল না কাটাজিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানি করার আগপর্যন্ত নখ, চুল বা পশম না কাটা মোস্তাহাব। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে কোরবানি করার ইচ্ছা করে, সে যেন জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন করা পর্যন্ত তার চুল ও নখের কোনো অংশ না কাটে।’

৫. রোজা রাখাজিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, বিশেষ করে ৯ জিলহজ বা আরাফার দিনের রোজা। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আরাফার দিনের রোজা তার আগের ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে’

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।