কোরআনের ১০টি সূত্র যা আল্লাহর ওপর ভরসা গড়ার জন্য সাহায্য করে

কোরআনের ১০টি সূত্র যা আল্লাহর ওপর ভরসা গড়ার জন্য সাহায্য করে

কোরআন আল্লাহর ওপর আস্থা বাড়বে যে ১০ আয়াত পাঠে। যখন মানুষের সব অবলম্বন ফুরিয়ে যায়, তখন একমাত্র আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসাই পারে তাকে কূল দেখাতে। এই অটল বিশ্বাসের নামই ‘তাওয়াক্কুল’। মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা কেবল মানসিক শান্তিই দেয় না, বরং অসম্ভবকে সম্ভব করার শক্তি জোগায়। তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা গড়ার ১০টি কোরআনি সূত্র তুলে ধরা হলো: আল্লাহই যখন যথেষ্টমানুষের জীবনে যখন প্রতিকূলতা চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে, তখন আল্লাহর ওপর ভরসাই হয়ে ওঠে শ্রেষ্ঠ আশ্রয়। মুমিনের প্রকৃত পরিচয়ই মানের পূর্ণতা আসে আল্লাহর ওপর নির্ভরতার মাধ্যমে। পরিকল্পনা ও চেষ্টার পর যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন ফলাফলের চিন্তা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়াই হলো তাওয়াক্কুল। ঐশী সাহায্যের নিশ্চয়তা দুনিয়ার সব শক্তি একদিকে থাকলেও আল্লাহর সাহায্য যার সঙ্গে থাকে, তাকে কেউ পরাজিত করতে পারে না। ভবিষ্যৎ আমাদের কাছে অজানা থাকলেও আল্লাহর কাছে তা স্পষ্ট। তাই সকল বিষয়ের চূড়ান্ত ভার তাঁর ওপর অর্পণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। দয়াময় সত্তার আশ্রয় বিপদে-আপদে আল্লাহর করুণার ওপর ভরসা রাখলে অন্তর প্রশান্ত থাকে। ভাগ্যের লিখন ও অভিভাবকত্ব আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, তার বাইরে কিছু ঘটার সুযোগ নেই। এই বিশ্বাসই তাওয়াক্কুলের ভিত্তি। ষড়যন্ত্র থেকে সুরক্ষা মানুষের গোপন চক্রান্ত বা শয়তানের কুমন্ত্রণা কোনোটিই আল্লাহর অনুমতি ছাড়া ক্ষতি করতে পারে না, যদি ভরসা থাকে আল্লাহর ওপর। ঐশী প্রেমের চাবিকাঠি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার অন্যতম সহজ উপায় হলো সব কাজে তাঁর ওপর নির্ভর করা। পরিশেষে, তাওয়াক্কুল মানে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা নয়, বরং সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর ফলাফল অর্পণ করা মহান আল্লাহর ওপর। এই মনোভাব মানুষকে সাফল্যের চূড়ায় যেমন বিনয়ী রাখে, তেমনি ব্যর্থতার আঁধারেও জোগায় বেঁচে থাকার শক্তি।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।