সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন মানুষের দাঁতের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। ইসলামি সভ্যতার স্বর্ণযুগে মুসলিম চিকিৎসকরা দন্তচিকিৎসাকে সাধারণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অবিচ্ছেদ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।
প্রাথমিক যুগে শুধু মেসওয়াক ও কুলকুচির মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, কালক্রমে মুসলিম বিজ্ঞানীরা দন্তচিকিৎসায় শৈল্যচিকিৎসা (সার্জারি), নতুন যন্ত্রপাতি এবং কৃত্রিম দাঁত সংযোজনের মতো বৈপ্লবিক উদ্ভাবন নিয়ে আসেন।












