বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে সাফ কোটা বাতিলসহ ছয় দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন ফুটবলাররা। তবে আজ বাফুফের দুই সদস্য আমিরুল ইসলাম ও শাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে আলোচনার পর সাফ কোটার ব্যাপারে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন ফুটবলাররা, তবে দিয়েছেন দুটি নতুন প্রস্তাব।
চলতি মৌসুম থেকে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে সাফ অঞ্চলের পাঁচজন ফুটবলার ‘স্থানীয় খেলোয়াড়’ হিসেবে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। এর বাইরে বিদেশি কোটায় খেলতে পারছেন আরও তিনজন। সাফ কোটায় পাঁচজন ফুটবলার ‘স্থানীয়’ হিসেবে খেললে সত্যিকারের স্থানীয় খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ কমে যায় বলেই এ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন ফুটবলাররা।
বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় আজ ফুটবলারদের প্রতিনিধিদল আগের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন প্রস্তাবে বলেছে, এখন থেকে প্রতিটি দলে দুটি সাফ কোটা ও দুটি বিদেশি কোটা রাখা হোক।



















