নাহিদ রানার কথায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিকতার টান আছে এখনও, আছে তাঁর সারল্যও। বেশিরভাগ প্রশ্নেরই উত্তর শেষ করে দেন অল্পতে। তবে যাঁর বলের গতিতে রীতিমতো কাঁপন ধরছে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের, তাঁর কথায় একদমই ঝাঁজ না থেকে কী পারে! ব্যাটিংয়ে তিনি নামেন সবার শেষে। প্রতিপক্ষ বোলাররা তাঁকে কাবু করতে বাউন্সার মারেন প্রায়ই। কিন্তু নাহিদও তো বল হাতে তো চাইলেই বিধ্বস্ত করতে পারেন যে কাউকেই। সেই সতর্কবাণীটাই যেমন আজ দিয়ে রাখলেন তিনি, ‘এতটুক বলতে পারি আমাকে কেউ বাউন্সার মারলে আমি তাঁকে ছেড়ে কথা বলব না।‘
নাহিদ যে ছেড়ে কথা বলেন না, তা সবচেয়ে ভালো টের পাচ্ছেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরাই। মিরপুর টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে তাদের ধসিয়ে দিয়ে তাঁর ৫ উইকেট পাওয়ার স্মৃতি এখনও তরতাজা। আজও পাকিস্তানের সবচেয়ে দামি উইকেটটি তিনিই নিলেন। বাকিদের ব্যর্থতার ভিড়ে পাকিস্তানকে প্রায় একা হাতে টানছিলেন বাবর আজম।
টেস্টে বাবর আজমের মুখোমুখি নাহিদ হয়েছেন তিন ম্যাচে। ৩৯ বল করে তাঁকে আউটও করেছেন তিনবার। দিনশেষে নাহিদের অবশ্য দাবি বাবরের উইকেটটা তাঁর কাছে বিশেষ কিছু নয়, ‘প্রতিটা ব্যাটসম্যানকে আউট করতেই মজা লাগে। কারণ, সব উইকেটই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একজন ব্যাটসম্যানকে (আগে) বলে আউট করতে পারবেন না।’



















