স্কোরবোর্ডে টাঙানো বড় বড় সংখ্যাগুলো নেমে গেছে ততক্ষণে। লাল চাতালের তিন তলা ভবনটাও নীরব হয়ে এসেছে প্রায়। মাঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ক্যামেরাগুলো সরে গেছে। টিলার সবুজ সুন্দর গ্যালারিতে খাঁ খাঁ শূন্যতা। কোথাও কেউ নেই পুরো মাঠজুড়ে। এসব খণ্ড খণ্ড ছবির সময় ঘড়ির কাঁটায় ঠিক তিনটা।
এখনকার যুগে কাঁটার ঘড়ি দেখা মেলে কালেভদ্রে। ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যাই বেশি দৃশ্যমান বহুদিন ধরে। সেই সময় কি পিছিয়ে দেওয়া যায় চাইলেই? তাহলে ২০২৬ সালের ২০ মের সকাল ১১টা ২০ মিনিটে থমকে দেওয়া যাক তা। কারণ? বহু বছর পর ক্রিকেটে যখন বাংলাদেশের লোকগাথা লেখা হবে, এই সময়েই তো ফিরে আসতে হবে বারে বারে!



















