দেশের শিল্পাঞ্চলে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিক্যাল, দূষিত পানি ও ব্যাটারির বর্জ্যের কারণে বাতাসে সালফার ও সিসার মতো ক্ষতিকর উপাদানের পরিমাণ বাড়ছে। এতে বায়ুমণ্ডলে অ্যাসিডিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শুধু মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরই পড়ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও (এসি)। বিশেষ করে এসির কপার ও অ্যালুমিনিয়ামের যন্ত্রাংশে ধীরে ধীরে ক্ষয় বা ‘পিটিং করোশন’ তৈরি হয়। উপকূলীয় এলাকা কক্সবাজারেও বাতাসে লবণাক্ততার ফলেও একই সমস্যা দেখা যায়। লবণাক্ততার কারণে এসির তাপ বিনিময় (হিট এক্সচেঞ্জ) যন্ত্র ক্ষয় হয়ে যায়। এতে এসির স্থায়িত্ব কমে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় দুই বছরের চেষ্টায় বিশেষ কোটিং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে দেশি প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। এই কোটিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছে ওয়ালটন এয়ার কন্ডিশনারের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ। ২০২৪ সালে ওয়ালটন এই প্রযুক্তির পেটেন্টের আবেদন করে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এই প্রযুক্তি নিবন্ধন করে। চলতি বছরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রযুক্তির পেটেন্ট পায় ওয়ালটন।




















