রান্নাঘরের চিরাচরিত চেহারা বদলে দিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া। এক সময় ফ্রিজ ছিল শুধু মাছ-মাংস বা সবজি সতেজ রাখার যন্ত্র। সময়ের বিবর্তনে সেই ফ্রিজই হয়ে উঠেছে ঘরের অন্যতম স্মার্ট সদস্য। ফ্রিজের দরজায় যুক্ত হয়েছে বিশাল ডিজিটাল ডিসপ্লে, যা সাধারণ একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রকে রূপান্তর করছে ডিজিটাল ক্যানভাসে। সৃজনশীলতার নতুন মাত্রা গৃহিণীদের কাজকে করেছে আরও সহজ।
গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে ‘ইন্টারনেট অফ থিংস’ বা আইওটি প্রযুক্তির প্রসারের ফলে সাধারণ হোম অ্যাপ্লায়েন্সগুলো স্মার্ট হতে শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় ফ্রিজের দরজায় যুক্ত হয় লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে। শুরুর দিকে এটি কেবল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি একটি শক্তিশালী কম্পিউটারের মতো কাজ করে। বিশেষ করে উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোন অ্যাপের সঙ্গে ফ্রিজের সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা এই প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে তুলছে।
পর্দার আড়ালের প্রযুক্তিস্মার্ট ডিসপ্লে ফ্রিজগুলো মূলত সেন্সর এবং ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর দরজায় থাকা সেন্সরে টোকা দিলেই ভেতরের কাচ স্বচ্ছ হয়ে ওঠে, ফলে দরজা না খুলেই ভেতরে কী আছে, তা দেখা সম্ভব হয়। এর অভ্যন্তরে থাকা ক্যামেরাগুলো খাবারের ছবি তুলে সরাসরি ব্যবহারকারীর ফোনে পাঠিয়ে দেয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই ফ্রিজগুলো এখন খাবারের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখও মনে করিয়ে দিতে পারে।




















