পিৎজা অর্ডার করার সময় অনেকেই ভুল করে থাকেন। পিৎজা অর্ডারের ৭টি ভুল নিম্নরূপ:
পিৎজা অর্ডারের সময় শুধু দামের দিকে তাকানো সস্তা হলে মান খারাপ হয়। ভালো স্বাদের জন্য উপকরণের মান গুরুত্বপূর্ণ। ভালো জায়গা থেকে রেটিং দেখে পিৎজা কিনুন।
ভুল সাইজ বেছে নেওয়ামানুষের সংখ্যা অনুযায়ী সাইজ না নিলে সমস্যা হয়, কখনো কম পড়ে, কখনো নষ্ট হয়।
অতিরিক্ত টপিংস দেওয়াঅনেক টপিংস দিলে স্বাদ একসঙ্গে মিশে গিয়ে আসল ফ্লেবার নষ্ট হয়ে যায়।
ক্রাস্টের ধরন উপেক্ষা করাপাতলা, মোটা বা চিজি—ক্রাস্ট ঠিক না হলে পিৎজার পুরো অভিজ্ঞতাই বদলে যায়।
সসের গুরুত্ব না বোঝাপিৎজার স্বাদের বড় অংশ আসে সস থেকে। ভুল সস বেছে নিলে স্বাদও বদলে যায়। বেশি সস নিলে আবার পিৎজা নরম হয়ে যেতে পারে। খেতে স্যাঁতসেঁতে লাগতে পারে। অতিরিক্ত চিজ বা তেল সব সময় ভালো নয়, স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি।
ডেলিভারি টাইম না জানাদেরিতে এলে পিৎজা ঠান্ডা হয়ে যায়, যা খাওয়ার আনন্দ কমিয়ে দেয়। অর্ডারের পর ডাবল চেক করুন। আর ডেলিভারির সময় ভালোভাবে জেনে নিন। জনপ্রিয় জায়গায় প্রাইম আওয়ারে, অর্থাৎ যে সময় সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে, সে সময় আগে আগে পিৎজা অর্ডার দিতে হবে। নয়তো স্টক শেষ হয়ে যেতে পারে।
সব সময় একই পছন্দে আটকে থাকানতুন কিছু ট্রাই না করলে অনেক ভালো ফ্লেবারের পিৎজা মিস হয়ে যায়। আবার অন্যের পছন্দে অর্ডার দিয়ে পরে নিজের ভালো না লাগা—এটা খুবই সাধারণ ভুল।
আরও যাভীষণ ক্ষুধার্ত অবস্থায় বা অনেক তাড়াহুড়ায় পিৎজা অর্ডার না করাই ভালো। এতে পিৎজা অর্ডারে ভুল হতে পারে। আবার ক্ষুধা পেটে অনেক সময় অতিরিক্ত অর্ডার করে ফেলি। এর ফলে খাবার অপচয় হতে পারে।
ডাইন ইন আর হোম ডেলিভারির স্বাদ এক নয়। সেরা স্বাদ পেতে চাইলে যেখানে পিৎজা তৈরি হচ্ছে, সেখানে বসেই (লাইভ পিৎজা) খান। হোম ডেলিভারিতে খাবারের টেক্সচার, স্বাদ খানিকটা বদলে যেতে পারে।
একটা পিৎজা একবারে শেষ না-ই হতে পারে। কয়েকটা স্লাইস অবশিষ্ট থাকলে সেসব এয়ারটাইট কনটেইনারে অথবা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা প্লাস্টিকের র্যাপে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। এভাবে ফ্রিজে ২–৩ দিন ভালো থাকে। কার্ডবোর্ড বাক্সে রাখলে তা পিৎজার আর্দ্রতা শোষণ করে স্বাদ নষ্ট করে ফেলতে পারে।




























