বাহ! ‘সেরা বিষণ্ন ব্যক্তি’ হিসেবে এই পুরস্কার পেয়ে সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি। ওহ, এটা সেই পুরস্কার নয়? যাক বাবা, বাঁচা গেল! (হাসি)‘ডিপ্রেশন টাস্কফোর্সের’ বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ। আমার মনে হয় এটা দারুণ একটা উদ্যোগ। বিষণ্নতা দূর করার জন্য একটা ‘টাস্কফোর্স’ আছে, এটা জেনেই তো অনেকে একটু হালকা বোধ করবে। অন্তত আমি তো করবই।
খুব ছোটবেলায়ই আমার থেরাপির অভিজ্ঞতা হয়েছিল। মা-বাবা দুজনই বেশ বিখ্যাত ছিলেন। আমি যখন ছোট, তখন তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। তাঁরা বেশ বুদ্ধিমানের মতো বুঝতে পেরেছিলেন যে বাইরের কেউ হয়তো আমার পারিবারিক জীবনের জটিলতাগুলো বুঝতে আমাকে সাহায্য করতে পারবে।
বিনোদনজগতে কোনো কিছুই ব্যক্তিগত থাকে না। কিন্তু আমি আমার ব্যক্তিগত জীবনকে খুব পবিত্র মনে করি। আমার ভয় হচ্ছে যে এই বক্তৃতাটা ইন্টারনেটে চলে যাবে। খবরের শিরোনাম হবে—‘ডাকোটা জনসন বিষণ্নতা নিয়ে মুখ খুললেন’ কিংবা ‘নীরবতা ভাঙলেন’। যদি এমনটা হয়, আমি মেনে নেব। শুধু আশা করব, আমার পরের কথাগুলো প্রচারেও তারা যেন আমাকে সাহায্য করে।





























