চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার বরেন্দ্রভূমির গহিনে সাঁওতালপল্লি বীরগ্রাম। অনেকটা পাহাড়ি নদীর মতো এঁকেবেঁকে গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি খারি (খাল)। বৈশাখের তপ্ত রোদে এটি এখন শুকিয়ে খটখটে অবস্থায়। এর পাড়ের একটি বাঁশঝাড় থেকে শুকনা পাতা সংগ্রহ করছিলেন এক নারী। তাঁর পরনে নীল রঙের চেক শার্ট আর মাথায় প্যাঁচানো টুকটুকে লাল গামছা।
চোখ আটকে গেল ওই নারীর সোনার নাকফুলে; ছোট্ট কিন্তু সুন্দর। ছবি তোলার জন্য বললাম, ‘তোমার নাকফুলটা বেশ সুন্দর। বেশ মানিয়েছেও তোমাকে।’ এতক্ষণ মুখে হাসি থাকলে প্রশংসা শুনে মুহূর্তেই তা মিলিয়ে গেল। রোদে পোড়া মুখটা আরও কালো দেখাল যেন, চোখের ভেতর উঁকি দিল জল।
কথায় কথায় জানা যায়, সাঁওতাল নারীটির নাম নীলা হাসদা। বীরগ্রামেরই গৃহবধূ ও দিনমজুর। স্বামী মোমিন টুডু মজুরের কাজ করেন।





























