দূরদেশে বসে মেঘের পদধ্বনি শুনে শব্দের ছায়াপথ যেন লুকিয়ে থাকে তার ভিতর। প্রতিটি শব্দই যেন তখন একেকটি মুক্তা হয়ে ঝরে। প্রতিটি শব্দই যেন তখন একেকটি মহাকাব্যের ভ্রূণ। আমার কবিতার চিৎকার যেন আকাশের জিহ্বায় ঝুলে থাকা মেঘের মতো।
লেখক শরীফুল আলম বলেন, দূরদেশে বসে মেঘের পদধ্বনি শুনে আমি কবিতা লিখি। আমি নক্ষত্রের দিকে যেতে চাইলাম। সেখানে আগুনধ্বংস অনিবার্য। সময়কে সে নিজ হাতেই সরিয়ে দিল। অথচ অন্ধকারেও তার ছায়া আমার সাথে গল্প করে।
দূরদেশে বসে মেঘের পদধ্বনি শুনে শব্দের ছায়াপথ যেন লুকিয়ে থাকে তার ভিতর। প্রতিটি শব্দই যেন তখন একেকটি মুক্তা হয়ে ঝরে। প্রতিটি শব্দই যেন তখন একেকটি মহাকাব্যের ভ্রূণ। আমার কবিতার চিৎকার যেন আকাশের জিহ্বায় ঝুলে থাকা মেঘের মতো।
লেখক শরীফুল আলম বলেন, দূরদেশে বসে মেঘের পদধ্বনি শুনে আমি কবিতা লিখি। আমি নক্ষত্রের দিকে যেতে চাইলাম। সেখানে আগুনধ্বংস অনিবার্য। সময়কে সে নিজ হাতেই সরিয়ে দিল। অথচ অন্ধকারেও তার ছায়া আমার সাথে গল্প করে।



























