কবিতায় কবি তার মনের অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, কবিতা কী নামে তোমাকে ডাকি? প্রসন্ন সন্ধ্যার অমল জোনাকি? অভ্যাসবশত জোছনার বনে হাঁটি একা একা; আসঙ্গপিয়াসী মনঅনুক্ষণ চায় দেহের লাগাম; বরুণের গন্ধে ভারি পুলকিতরোদেলা বৈশাখ—সোনালু ফুলের কাছে জমা রাখি রঙিন কিতাব; কী আছে কিতাবে?—প্রণয়ের বর্ণমালা! কৈশোরের ফেলে আসাভোরগ্রস্ত কাকচক্ষু দিঘিজল, শানবাঁধানো শ্যাওলাধরা পিছলঘাটেরা—অঘটনঘটনপটীয়সী! চালধোয়া জলে জ্বলে শুভ্র হাতকাঁকনের রিনিঝিনি! এই গল্পে কেটে গেছে কত যে গহন রাত! কী নামে তোমাকে ডাকি? ব্যক্তিগত নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে জল নিয়ে ইচ্ছেমতো খেলি! আহা, জলকেলি! হঠাৎ কানের লতিথেকে খসে গেলে কানবালা—কর্ণফুলী নদী এসে সমুখে দাঁড়ায়; সান্ত্বনার জলে ধোয় উচাটন মন; প্রণয়বিহারে যায় সলজ্জ সাম্পান! যে নামে তোমাকে ডাকি—তার আছে দেহলগ্ন জলের দেয়ালবাঁচি বা মরি—ও প্রাণেশ্বরী, আজ তোমাতেই ধরিলাম হাল!
কবিতায় কবি তার মনের অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, কবিতা কী নামে তোমাকে ডাকি? প্রসন্ন সন্ধ্যার অমল জোনাকি? অভ্যাসবশত জোছনার বনে হাঁটি একা একা; আসঙ্গপিয়াসী মনঅনুক্ষণ চায় দেহের লাগাম; বরুণের গন্ধে ভারি পুলকিতরোদেলা বৈশাখ—সোনালু ফুলের কাছে জমা রাখি রঙিন কিতাব; কী আছে কিতাবে?—প্রণয়ের বর্ণমালা! কৈশোরের ফেলে আসাভোরগ্রস্ত কাকচক্ষু দিঘিজল, শানবাঁধানো শ্যাওলাধরা পিছলঘাটেরা—অঘটনঘটনপটীয়সী! চালধোয়া জলে জ্বলে শুভ্র হাতকাঁকনের রিনিঝিনি! এই গল্পে কেটে গেছে কত যে গহন রাত! কী নামে তোমাকে ডাকি? ব্যক্তিগত নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে জল নিয়ে ইচ্ছেমতো খেলি! আহা, জলকেলি! হঠাৎ কানের লতিথেকে খসে গেলে কানবালা—কর্ণফুলী নদী এসে সমুখে দাঁড়ায়; সান্ত্বনার জলে ধোয় উচাটন মন; প্রণয়বিহারে যায় সলজ্জ সাম্পান! যে নামে তোমাকে ডাকি—তার আছে দেহলগ্ন জলের দেয়ালবাঁচি বা মরি—ও প্রাণেশ্বরী, আজ তোমাতেই ধরিলাম হাল!
কবিতায় কবি তার মনের অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, কবিতা কী নামে তোমাকে ডাকি? প্রসন্ন সন্ধ্যার অমল জোনাকি? অভ্যাসবশত জোছনার বনে হাঁটি একা একা; আসঙ্গপিয়াসী মনঅনুক্ষণ চায় দেহের লাগাম; বরুণের গন্ধে ভারি পুলকিতরোদেলা বৈশাখ—সোনালু ফুলের কাছে জমা রাখি রঙিন কিতাব; কী আছে কিতাবে?—প্রণয়ের বর্ণমালা! কৈশোরের ফেলে আসাভোরগ্রস্ত কাকচক্ষু দিঘিজল, শানবাঁধানো শ্যাওলাধরা পিছলঘাটেরা—অঘটনঘটনপটীয়সী! চালধোয়া জলে জ্বলে শুভ্র হাতকাঁকনের রিনিঝিনি! এই গল্পে কেটে গেছে কত যে গহন রাত! কী নামে তোমাকে ডাকি? ব্যক্তিগত নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে জল নিয়ে ইচ্ছেমতো খেলি! আহা, জলকেলি! হঠাৎ কানের লতিথেকে খসে গেলে কানবালা—কর্ণফুলী নদী এসে সমুখে দাঁড়ায়; সান্ত্বনার জলে ধোয় উচাটন মন; প্রণয়বিহারে যায় সলজ্জ সাম্পান! যে নামে তোমাকে ডাকি—তার আছে দেহলগ্ন জলের দেয়ালবাঁচি বা মরি—ও প্রাণেশ্বরী, আজ তোমাতেই ধরিলাম হাল!
কবিতায় কবি তার মনের অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা প্রকাশ করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, কবিতা কী নামে তোমাকে ডাকি? প্রসন্ন সন্ধ্যার অমল জোনাকি? অভ্যাসবশত জোছনার বনে হাঁটি একা একা; আসঙ্গপিয়াসী মনঅনুক্ষণ চায় দেহের লাগাম; বরুণের গন্ধে ভারি পুলকিতরোদেলা বৈশাখ—সোনালু ফুলের কাছে জমা রাখি রঙিন কিতাব; কী আছে কিতাবে?—প্রণয়ের বর্ণমালা! কৈশোরের ফেলে আসাভোরগ্রস্ত কাকচক্ষু দিঘিজল, শানবাঁধানো শ্যাওলাধরা পিছলঘাটেরা—অঘটনঘটনপটীয়সী! চালধোয়া জলে জ্বলে শুভ্র হাতকাঁকনের রিনিঝিনি! এই গল্পে কেটে গেছে কত যে গহন রাত! কী নামে তোমাকে ডাকি? ব্যক্তিগত নদীর উজানে বাঁধ দিয়ে জল নিয়ে ইচ্ছেমতো খেলি! আহা, জলকেলি! হঠাৎ কানের লতিথেকে খসে গেলে কানবালা—কর্ণফুলী নদী এসে সমুখে দাঁড়ায়; সান্ত্বনার জলে ধোয় উচাটন মন; প্রণয়বিহারে যায় সলজ্জ সাম্পান! যে নামে তোমাকে ডাকি—তার আছে দেহলগ্ন জলের দেয়ালবাঁচি বা মরি—ও প্রাণেশ্বরী, আজ তোমাতেই ধরিলাম হাল!



























