পারুল ফুল দেখতে বের হলাম এ বছরের ৫ বৈশাখে। সকালবেলা ঢাকা থেকে আট প্রকৃতিবন্ধু মিলে রওনা দিলাম পারুল দর্শনের উদ্দেশে। প্রায় দেড় ঘণ্টা লাগল পারুলের কাছে পৌঁছাতে। গাজীপুরের জয়দেবপুরে টাঁকশাল সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস করপোরেশন স্কুলের বিজ্ঞান ভবনের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে চারটি পারুলগাছ। ছিল পাঁচটি গাছ। স্কুলের সীমানাপ্রাচীর ও নর্দমা নির্মাণ করতে গিয়ে কয়েক দিন আগে কেটে ফেলা হয়েছে একটি গাছ। কথাটা জানার পর শঙ্কা আর কষ্ট এসে চেপে বসল বুকের ভেতর—বাকি চারটি গাছ ভবিষ্যতে টিকবে তো?
পারুল ফুলের দেখা না পেলেও পারুলের নামের সঙ্গে পরিচিত সেই ছোটবেলা থেকে। সাত ভাই চম্পা সিনেমা কে না দেখেছে? কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানেও রয়েছে পারুলের নাম।
পারুল এ দেশে দুর্লভ কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়ে গেছে। কেননা ২০২৪ সালে আইইউসিএন-বাংলাদেশ ও বন অধিদপ্তরের হাজার বৃক্ষের মূল্যায়নে পারুলকে মূল্যায়িত করা হয়েছে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বা লিস্ট কনসার্ন উদ্ভিদ হিসেবে, যার অর্থ পারুলকে এখনো বিপন্ন ভাবার কারণ নেই।



























