ঢাকার তেজগাঁও রেললাইনের সঙ্গে সরু গলি দিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলে দেখা যায়, বেশ কিছু একই আকৃতির ভবন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। আরও কিছুটা ভেতরে ঢুকলে আরেকটি ভবন। ভেতর থেকে শোনা যায়, শিশু-কিশোরীদের হইচই, উল্লাস। প্রথম তলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রতিটি তলায় দেখা গেল শিশুদের ছোটাছুটি। বেদনা চেপে আনন্দমুখে ছুটে বেড়ানো এসব শিশু অনেকেই মনে করতে পারে না মা-বাবার মুখ। পরিবার বলতে কী বোঝায়, তা-ও বোঝার সুযোগ হয়নি ওদের।
মিম আক্তারের বয়স ১৩ বছর। পড়ে পঞ্চম শ্রেণিতে। তার বাবা, মা আছে। বাবার বসবাসের স্থায়ী জায়গা নেই, তাই মিমের জায়গা ১২ মাস এখানেই। একসময় মিম মায়ের সঙ্গে থাকত। তবে মা তাকে ফেলে গেছে। এর পর থেকে তার ঠিকানা এই এতিমখানা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত প্রতিষ্ঠান রহমতে আলম ইসলাম মিশন এতিমখানার বাসিন্দা ওরা। ঈদে ঢাকা শহর ফাঁকা হয়ে গেলেও তারা থেকে যায় এখানেই। মেয়েশিশু ও কিশোরী আছে প্রায় ৫০০। ছেলেশিশু-কিশোরদের স্থান অন্য ভবনে।































































