বাণিজ্যিক প্রণোদনা দেওয়ার সময় ব্যাংকগুলো সতর্ক হতে হবে

বাণিজ্যিক প্রণোদনা দেওয়ার সময় ব্যাংকগুলো সতর্ক হতে হবে

বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার যে প্রণোদনা দিয়েছে, তার প্রয়োজন ছিল। অর্থনীতিতে গতি আনতে এই প্রণোদনা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বন্ধ কারখানা চালু করতে চলতি পুঁজি এবং অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অর্থায়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া। গত কয়েক বছরে উৎপাদন ও শিল্প খাতে নানা ধরনের সংকটের কারণে অনেক উদ্যোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, অনেক কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। আমার মূল্যায়ন হলো—এই বাস্তবতায় স্বল্প সুদে পুনঃ অর্থায়নের উদ্যোগ শিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এ ধরনের ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোর অত্যন্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বাস্তবিক অর্থে উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম, কেবল সেগুলোকে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এই সহায়তার আওতায় আনা উচিত। তা না হলে প্রশাসনিক বা অব্যবসায়িক বিবেচনায় ঋণ বিতরণ করা হলে অর্থ ফেরত না আসার ঝুঁকি তৈরি হবে। তাতে খেলাপি ঋণের চাপ আরও বাড়তে পারে।

এর আগে করোনাভাইরাসের প্রকোপের সময় যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল, তা যেমন অনেক উদ্যোক্তার কাজে এসেছে, তেমনি কিছু অর্থ ফেরত আসেনি। মনে রাখতে হবে, সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে এই ঋণসহায়তা দিচ্ছে। এটা এককালীন সহায়তা নয়।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।