দেশের প্রাণিসম্পদ খাত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দিন দিন এ খাত বড় হচ্ছে। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। একসময় কোরবানির প্রাণীর জন্য যে নির্ভরতা, সেটা আজ নেই। এর পেছনে আছে গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র নানা মানুষের উদ্যোগ।
গরু পালনে প্রান্তিক পর্যায়ে চেষ্টাইয়াসিন আরাফাত পেশায় শিক্ষক। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শেরুয়া পাঠানতোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি চাকরি করেন। চাকরির পাশাপাশি বাড়িতে তিনি গরু পালন করেন ২০২০ সাল থেকে। গরুগুলো বিক্রি করেন প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে। এতে প্রতিবছর গরু বিক্রি করে তিনি বাড়তি আয় করেন অন্তত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, দেশের ৯০ ভাগের মতো ক্ষুদ্র খামারি। তাঁরা এ খাতকে এগিয়ে নিচ্ছেন। এতে হাল ফিরছে তাঁদের। আর শেষে লাভবান হচ্ছে দেশের অর্থনীতি।











































