ঢাকার সড়কে ফিটনেসবিহীন বাস উঠিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা গেলে কী হবে?

ঢাকার সড়কে ফিটনেসবিহীন বাস উঠিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা গেলে কী হবে?

ঢাকার সড়কে ফিটনেসবিহীন বাস উঠিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা গেলে সেটা যেমন নাগরিকদের জন্য স্বস্তি ও নিরাপত্তার কারণ হবে, আবার পরিবহনচালকদের জন্যও সড়ক আরও নিরাপদ হবে। সড়ককে লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস থেকে মুক্ত করা ও একটি সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য করণীয় কী, তার সবকিছুই বিভিন্ন সমীক্ষায় বলা আছে। বাস্তবায়নের জন্য দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা। বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা মনে করি, নাগরিকের বৃহত্তর কল্যাণ ও সামষ্টিক স্বার্থে সরকারকে পরিবহন খাতকে নিরাপদ করতে শক্ত, জোরালো ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে।

পরিবহন খাতের এই বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য টিকে থাকে বলেই এ খাত কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজির উৎস হয়ে থাকতে পারে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে টিআইবির গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন বাস থেকে বছরে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয়। এর ভাগ পান রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মী, পুলিশ ও বিআরটিএর কর্মচারী–কর্মকর্তারা।

সড়ককে লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস থেকে মুক্ত করা ও একটি সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য করণীয় কী, তার সবকিছুই বিভিন্ন সমীক্ষায় বলা আছে। বাস্তবায়নের জন্য দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা। বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা মনে করি, নাগরিকের বৃহত্তর কল্যাণ ও সামষ্টিক স্বার্থে সরকারকে পরিবহন খাতকে নিরাপদ করতে শক্ত, জোরালো ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।