পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করল আমাদের সমাজে কন্যাশিশুরা কতটা অনিরাপদ ও অরক্ষিত। শিশুটির ওপর ঘটে যাওয়া নৃশংসতা আমাদের বাক্রুদ্ধ করে। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবনতি আর বিচারহীনতার দীর্ঘ সংস্কৃতি—সার্বিক পরিস্থিতিকে এতটাই ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে ঘরে–বাইরে নারী ও শিশুরা কোথায় নিরাপদ, সেটাই এখন নাগরিকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
সদ্য সন্তান হারানো শোকার্ত বাবা গণমাধ্যমে, ‘আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না’ বলেছেন, খুব স্বাভাবিকভাবেই সেটি বৃহত্তর অর্থে নাগরিক ক্ষোভের প্রতিধ্বনি হয়ে উঠেছে। ফলে শুধু দৃষ্টান্তমূলক বিচারই নয়, সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুদায়িত্ব হচ্ছে বিচারহীনতা নিয়ে নাগরিকদের মনে যে গুরুতর আস্থাহীনতা জন্ম হয়েছে, তা নিরসন করা।
পুলিশের বরাতে প্রথম আলোর খবর জানাচ্ছে, মঙ্গলবার সকালে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটের হাতে খুনের শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া শিশুটি। ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধ গোপন ও লাশ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে মূল অভিযুক্ত শিশুটির মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিল।














































































