ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের নবগঠিত ৫১ সদস্যের কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ নেতা–কর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে ফেসবুকে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছাত্রদল সংবাদ সম্মেলন করে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে কলেজ ক্যানটিনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।১ মে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এতে আহবায়ক করা হয়েছে তানভীর আব্দুল্লাহ এবং সদস্যসচিব মেহেদী হাসান। এই কমিটিতে মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রলীগের ২০২৩ সালের কমিটির পদধারী ১১ নেতা আছেন, এমন অভিযোগ তুলে ফেসবুকে প্রচার শুরু হয়।
বিষয়টি নিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরেন মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মেহেদী হাসান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ছেলে শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে আবাসন রয়েছে ১৫–২০ ভাগ। এর বেশি অর্ধেক শিক্ষার্থীকে বাধ্যকতামূলকভাবে বিগত সময়ে ছাত্রলীগের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যাদের নিয়ে সমালোচনা, তাঁরা সবাই ম-৫৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তারা ২০২৩ সালের প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষার্থী হিসেবে মোস্ট জুনিয়র ব্যাচের। তাঁরা ছাত্রলীগের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না; কিন্তু তাঁদের পদ দিয়ে ছাত্রলীগের সিল মেরে দেওয়া হয়েছে। মোটকথা কোনো শিক্ষার্থী হলে থেকেছে; কিন্তু ছাত্রলীগের পদ দিয়ে সিল মারেনি, এমন হয়নি। ফলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে গুপ্ত রাজনীতির ডাকে সাড়া না দেওয়ায় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ন্যারেটিভ ছড়িয়ে ছাত্রদলকে মিডিয়া ট্রায়ালের মুখোমুখি করা হয়েছে।














































































