সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে সবাই হলফনামায় সব তথ্য দেননি। এরপরও তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যের তথ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা ইসিতে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতে বিএনপির একজন শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেননি। পেশা কী, তা উল্লেখ করেননি বিএনপির ৫ জন, জামায়াত জোটের ২ জন ও স্বতন্ত্র জোটের একমাত্র সংসদ সদস্য। বয়স উল্লেখ করেননি বিএনপির ২ জন। বার্ষিক আয়ের তথ্য দেননি বিএনপির ৫ জন ও জামায়াত জোটের ২ জন। মোট সম্পদের তথ্য দেননি বিএনপির একজন। ঋণসংক্রান্ত তথ্য দেননি বিএনপির ৮ জন ও জামায়াতের ২ জন। আয়করসংক্রান্ত তথ্য দেননি বিএনপির ৪ জন আর জামায়াত জোটের ৬ জনসহ ১০ জন।

এ প্রসঙ্গে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো আইনকানুন ও বিধি নির্মোহভাবে প্রয়োগ করা। কমিশনের দায়িত্ব ছিল সবার তথ্য নিশ্চিত করা। হলফনামায় অনেকে আয়কর বিবরণী দেননি। এটা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এটি না দিলে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কথা।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।