আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের যে সংজ্ঞা, সেখানে…ওয়াইডস্প্রেড, পূর্বপরিকল্পিত এ ধরনের যে কাজগুলো হয়, পরিকল্পিতভাবে যে হত্যাকাণ্ড হয়, সেগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আপনারা দায়মুক্তি দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পরে যে মবগুলো হয়েছে, সেগুলোও একধরনের সিস্টেমেটিক ওয়েতে (পদ্ধতিগতভাবে) হয়েছে এবং ওয়াইডস্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) হয়েছে। এগুলোও কি ভবিষ্যতে তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে কি না?’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মব ইজ নট সিস্টেমেটিক অর ওয়াইডস্প্রেড (মব পদ্ধতিগত বা ব্যাপক মাত্রার নয়)। মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল (মব জনগণের প্রতিক্রিয়া)। এবং সেটা যদি অর্ডিনারি ক্রাইমের (সাধারণ অপরাধ) মধ্যে পড়ে, সেটা অর্ডিনারি আইন অনুসারে দেখা হবে। আপনি যদি সেই বিচার করতে যান অনেক বিষয় চলে আসবে এর পেছনে। তাহলে যেকোনো স্বাধীনতাসংগ্রাম, যেকোনো গণ–অভ্যুত্থান, যেকোনো বিপ্লবকে আপনার অসম্মান করা হবে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিবেচনায় রাখছি। বাজেট অধিবেশনে না উঠলে পরের অধিবেশনে উঠবে। ১৭ মে মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম সংক্রান্ত আইন এই দুটির কনসালটেশন মিটিং ডাকা হয়েছে। পর্যায়ক্রমিকভাবে সময়মতো এগুলো সামনে আনা হবে।














































































