গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণ–অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা গণ–অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

গণভোটে দেওয়া জনগণের রায় উপেক্ষা করা হলে তা গণ–অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে বলে মন্তব্য করেছেন আলোচকেরা। তাঁরা জাতীয় সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার ও জনগণের প্রত্যক্ষ মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। আলোচকেরা বলেন, রাষ্ট্রের বৈধতার সংকট, সাংবিধানিক শূন্যতা এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে।

গণভোটের রায়কে একদিকে স্বীকৃতি দিয়ে অন্যদিকে বিচারাধীন রেখে রাষ্ট্র নিজের বৈধতার ভিত্তিকেই অস্বীকার করে। এই দ্বৈততা ও নৈতিক পলায়নপরতা রাষ্ট্রকে গভীর বৈধতার সংকটে নিমজ্জিত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে সংলাপ বন্ধ হয়ে গেলে জাতীয় সংকট তৈরি হয়। তাঁর ভাষায়, গণভোটকে কেউ জনগণের প্রত্যক্ষ মতপ্রকাশের সর্বোচ্চ রূপ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ সাংবিধানিক ভারসাম্যের প্রশ্নে বিচার করছেন। এ দুইয়ের মধ্যে সংঘাত না তৈরি করে সমন্বয় করতে পারলে তা বড় অর্জন হবে।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।