জবানবন্দিতে সাক্ষীর বক্তব্য: আমার বাচ্চার বয়স দুই মাস, ওকে এতিম করবেন না

জবানবন্দিতে সাক্ষীর বক্তব্য: আমার বাচ্চার বয়স দুই মাস, ওকে এতিম করবেন না

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে র‌্যাবের টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ জবানবন্দি দেন শফিকুল ইসলাম। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, তিনি কওমি মাদ্রাসা থেকে দাওরা হাদিস পাস করেছেন। তিনি একজন মুফতি। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে তিনি স্নাতকোত্তর করেছেন। বর্তমানে পূর্বাচলে অবস্থিত মারকাজুস সুনান মাদরাসা ও এতিমখানার প্রিন্সিপাল ও মাদ্রাসা মসজিদের ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর (পল্টন) অঞ্চলের সহ–সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জবানবন্দিতে শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি জাপান গার্ডেন সিটি এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নেওয়া হয় উল্লেখ করে। গাড়িটি এক জায়গায় গিয়ে ধীরে চলতে থাকে এবং গাড়িটি দাঁড়িয়ে যায়। দুজন লোক তাঁকে ধরে গাড়ি থেকে নামান। একপর্যায়ে তাঁকে ছোট একটি কক্ষে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর দুই–তিন দিন পর তাঁকে আরেকটি কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি চেয়ারে বসান। তাঁকে অনেক বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিতে বলা হয়।

এই মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তাঁরা হলেন জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।