প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৪৩আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ৪৭ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ থেকে শুরু করে চলতি অধিবেশনে এ পর্যন্ত যা হয়েছে তাতে জনগণ হতাশ বলে শীর্ষক এক বৈঠকে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ তথা সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর ন্যাস্ত ছিল। কিন্তু ইতিমধ্যে সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ১১টি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, শপথকালীন সময় থেকে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যগণ সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে বিরত থাকার কারণে এ সংকটের শুরু হয়। এ ছাড়া ‘অবৈধ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণা’ বলে জুলাই জাতীয় সনদকে বিএনপি সরকার অবমূল্যায়ন করেছে। সংবিধানের অপব্যাখ্যা দিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার অনীহা দেখাচ্ছে।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সুতরাং জনগণ যখন কোন রায় দেয় (গণভোট) তা রাষ্ট্রের যে কোন প্রতিষ্ঠানের (সংসদ বা আদালত) সিদ্ধান্তের চেয়ে নৈতিকভাবে ঊর্ধ্বে থাকে।














































































