আমজাদ খানের মৃত্যুর ৩৪ বছর পর তাঁর ছেলে শাদাব খান বাবার মৃত্যু নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন। শাদাব জানান, ১৯৯২ সালে যখন তাঁর বাবা মারা যান, তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৮। সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তিনি জানতে পারেন, বাবা ঘুম থেকে উঠছেন না। গিয়ে দেখেন, শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। দ্রুত ডাক্তার ডাকা হয়। পরে চিকিৎসক জানান, এটি ছিল ভয়াবহ হার্ট অ্যাটাক।
শাদাবের ভাষায়, চিকিৎসক একটি জরুরি ইনজেকশনের কথা বলেছিলেন। তিনি সেটি আনতে গিয়েছিলেন, কিন্তু ফিরে এসে শুনতে হয়—তিনি কয়েক সেকেন্ড দেরি করে ফেলেছেন। সেই আঘাত তিনি নিতে পারেননি।
শাদাব বলেন, সেই মুহূর্তে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। রাগে-শোকে তিনি বাসার জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন, দেয়ালে ঘুষি মারেন, এমনকি চিকিৎসকের গায়েও হাত তোলেন। পরে তিনি স্বীকার করেন, বাবাকে হঠাৎ হারানোর ট্রমা তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রোধ আর হতাশার মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছিল।


































































































































































































