প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ১৪ চার থেকে ছয় বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, পরিবারের বিপুল ব্যয়, তারপর হাতে সনদ। কিন্তু চাকরির ইন্টারভিউতে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, 'গুগল অ্যানালিটিকস ব্যবহার করতে পারেন?'—উত্তর ছিল নীরবতা। সেই নীরবতা আসলে একটি পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার প্রতিধ্বনি।
প্রতিবছর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে লাখ লাখ গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ বলছে, উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার প্রায় ১২ শতাংশ, যা অষ্টম শ্রেণি পাস শ্রমিকদের বেকারত্বের হারের চেয়েও বেশি।
এই বিচিত্র বাস্তবতার কারণ খুঁজতে দূরে যেতে হয় না—সমস্যাটা পাঠ্যক্রমের ভেতরেই গেঁথে আছে। 'নিয়োগকর্তা এখন জিজ্ঞেস করেন না, কী পড়েছো; তিনি জানতে চান, কী করতে পারো।' বিশ্বব্যাংকের ২০২২ সালের প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় শিল্পের চাহিদার সঙ্গে পাঠ্যক্রমের ব্যবধান একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংকট।


































































































































































































