ইরানে ইসলামি বিপ্লব হয় ১৯৭৯ সালে। প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি প্রজাতন্ত্র। এর পর থেকে দেশটির রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ ছিল শেষ কথা। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের সময়টায় সর্বোচ্চ নেতার সেই চিরচেনা ভূমিকায় বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন ইরানে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা বাড়িয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। সামরিক আর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে মনে করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় ইরানের অবস্থান আগের চেয়ে বেশি অনমনীয় হয়েছে।
ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর শীর্ষে মোজতবা খামেনি আনুষ্ঠানিকভাবে রয়েছেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরিবর্তে তাঁর ভূমিকা জেনারেলদের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুমোদন করায় সীমাবদ্ধ হয়ে আছেন।
ইরানের কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, যুদ্ধের কারণে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এখন সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এসএনএসসি), সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর এবং আইআরজিসির একটি ছোট ও কট্টরপন্থী বলয়ের হাতে পুঞ্জীভূত হয়েছে।


































































































































































































