লন্ডনের রাস্তায় সম্প্রতি একই দিনে একই ব্যক্তির হাতে পৃথক দুটি স্থানে তিনজন ছুরিকাঘাতের শিকার হন। অভিযুক্ত ৪৫ বছর বয়সী এসা সুলেমান প্রথমে দক্ষিণ লন্ডনের সাউথওয়ার্কে ইসমাইল হোসেন নামের এক মুসলিম ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি ইহুদি–অধ্যুষিত গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় গিয়ে আরও দুই ইহুদি ব্যক্তিকে (৭৬ বছর বয়সী মোশে শাইন ও ৩৪ বছর বয়সী শ্লোমি র্যান্ড) আক্রমণ করেন।
ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি একই হলেও বিবিসি, রয়টার্স, এপি ও স্কাই নিউজের মতো প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলো তাদের শিরোনামে কেবল ‘দুই ইহুদি ব্যক্তির ওপর হামলা’র কথা উল্লেখ করেছে। ইসমাইল হোসেনের ওপর হামলার বিষয়টি তারা প্রায় এড়িয়ে গেছে, অথবা খবরের একেবারে শেষে ‘অতিরিক্ত তথ্য’ হিসেবে জুড়ে দিয়েছে।
এসব সংবাদমাধ্যমের নীতিনির্ধারকদের কাছে ইসমাইলের ওপর হামলার বিষয়টি ছিল স্রেফ এক ‘অপ্রয়োজনীয় জটিলতা’। তাঁদের ধারণা ছিল, এই তথ্য যোগ করলে শিরোনামের ধার কমে যাবে এবং খবরের মূল আবেদন নষ্ট হবে। মূলত ইসরায়েলপন্থীদের চাপের ভয় এবং সেই থেকে জন্মানো ‘স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ’ এই তথ্য গোপনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।


































































































































































































