মিয়ানমারের আরাকান আর্মির হাতে বন্দী স্বামীর মুক্তি চান সানজিদা

মিয়ানমারের আরাকান আর্মির হাতে বন্দী স্বামীর মুক্তি চান সানজিদা

সানজিদা আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে যেদিন মিয়ানমারের আরাকান আর্মির সদস্যরা আটক করে নিয়ে যায়, সেদিন রাতেই আমাদের সন্তান পৃথিবীতে আসে; কিন্তু এখনো সে তার বাবাকে দেখতে পারেনি; আর আমার স্বামীও নিজের সন্তানকে একবারও দেখতে পারেননি। আমি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, যত দ্রুত সম্ভব আমার স্বামীকে ফিরিয়ে আনা হোক।

গত বছরের আগস্ট মাসে সানজিদার স্বামী আবদুল্লাহ মাছ ধরতে বঙ্গোপসাগরে গেলে তাঁকেসহ কয়েকজন বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে যান আরাকান আর্মির সদস্যরা। ওই জেলেরা এখনো ছাড়া পাননি।

উন্মুক্ত শ্রেণিকক্ষে শুরুতে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনপরিসরে যাঁদের ‘সাবঅল্টার্ন’ বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাঁদের কণ্ঠস্বর খুব কমই মূলধারায় জায়গা পায়। প্রতিনিধিত্বের সংকট, জ্ঞানগত দমন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা সরাসরি সমাজের সামনে আসে না; বরং তা বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর ব্যাখ্যার মাধ্যমে পৌঁছায়। এ কারণে অনেক সময় প্রকৃত অভিজ্ঞতা হারিয়ে যায়।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।