শিশুদের আবেগ বিকাশে সিনেমার ভূমিকা

শিশুদের আবেগ বিকাশে সিনেমার ভূমিকা

অস্ট্রেলিয়ার সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র মেলবোর্নের ফেডারেশন স্কয়ারে অবস্থিত ‘অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর দ্য মুভিং ইমেজ’ বা এসিএমআই। পর্দা–সংস্কৃতির এই অনন্য জায়গাটি কেবল চলচ্চিত্র বা ভিডিও গেমসের সংগ্রহশালা নয়, বরং এটি বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক শিক্ষালয়। প্রতিবছর ১০ লক্ষাধিক দর্শনার্থীর পদচারণে মুখর এই প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি শিশুদের মানসিক বিকাশে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

এসিএমআইয়ের এই আয়োজন মূলত শিশুদের বড় বড় সব আবেগ, যেমন ভয়, আনন্দ, দুঃখ কিংবা বিষাদকে চিনতে ও বুঝতে সাহায্য করে। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্র দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে এমনটি উঠে আসে এসিএমআইয়ের জ্যেষ্ঠ কিউরেটর রিস গুডউইনের কথায়।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতাবিদেশ বিভুঁইয়ে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি শিশুদের জন্য এই মাধ্যমটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। সিডনির প্রবাসী অভিভাবক তানভীর আহমেদ তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানান, ‘আমার সাত বছরের ছেলে আগে খুব জেদ করত। কিন্তু ‘ইনসাইড আউট’ দেখার পর সে এখন তার রাগ বা মন খারাপের কারণগুলো বলতে পারে।’

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।