শিশুদের মানসিক বিকাশে সিনেমা কী ভূমিকা?

শিশুদের মানসিক বিকাশে সিনেমা কী ভূমিকা?

অস্ট্রেলিয়ার সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র মেলবোর্নের ফেডারেশন স্কয়ারে অবস্থিত ‘অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর দ্য মুভিং ইমেজ’ বা এসিএমআই। পর্দা–সংস্কৃতির এই অনন্য জায়গাটি কেবল চলচ্চিত্র বা ভিডিও গেমসের সংগ্রহশালা নয়, বরং এটি বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি আধুনিক শিক্ষালয়। প্রতিবছর ১০ লক্ষাধিক দর্শনার্থীর পদচারণে মুখর এই প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি শিশুদের মানসিক বিকাশে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

এসিএমআইয়ের এই আয়োজন মূলত শিশুদের বড় বড় সব আবেগ, যেমন ভয়, আনন্দ, দুঃখ কিংবা বিষাদকে চিনতে ও বুঝতে সাহায্য করে। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্র দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে এমনটি উঠে আসে এসিএমআইয়ের জ্যেষ্ঠ কিউরেটর রিস গুডউইনের কথায়।

এসিএমআইয়ের পর্দায় যখন ‘ইটি’ বা ‘ইনসাইড আউট ২’–এর মতো চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হয়, তখন শিশুরা তাদের মনের ভেতরের দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগের মতো জটিল বিষয়গুলোকে চিনতে শেখে।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।