কিছুক্ষণ আগেও ছিল ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টি আর মেঘের বুককাঁপানো গর্জন। কিন্তু দুপুর গড়াতে গড়াতে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে মানুষের চলাচলও। একটি–দুটি করে গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে গ্রামের কাঁচা-পাকা পথ ধরে বাইরে আসছিলেন তাঁরা। কারও হাতে দু–চারটা মোরগ, আছে রাজহাঁসও। কারও কাঁধে ও মাথায় শাকসবজির আঁটি। তাঁদের সবার গন্তব্য হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী আদমপুর বাজার।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পুরোনো বাজারটি গরু-মহিষের জন্য পরিচিত। এ বাজারের অন্যতম দিক হচ্ছে—বাজারে আসা অধিকাংশ গরু-মহিষগুলোই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত। স্থানীয় কৃষক ও গৃহস্থরা ঘরোয়াভাবে এসব গবাদিপশু লালনপালন করেন। প্রাকৃতিক খাদ্যেই বেড়ে ওঠে পশুগুলো।
শুক্রবার দুপুরের পর কমলগঞ্জ সদরের উপজেলা চৌমোহনা থেকে আদমপুর বাজারের দিকে রওনা দিয়েই টের পাওয়া যায়, সামনে গরুর হাট। কিছুক্ষণ পরপর গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে লোকজন সেখানে যাচ্ছেন। গরুবোঝাই একটি-দুটি পিকআপ ভ্যানও ছুটছে। বাজারের কাছে আসতেই ভিড় আরও বেড়ে যায়। কারণ, গতকালের হাট ছিল কোরবানির ঈদ সামনে রেখে।






























































































































































































































