আরামবাগের এজিবি কলোনির মুখের সড়কে ছাগল বিক্রি হচ্ছে। ছাগল কিনতে আসা প্রবীণের কাছে তরুণটি চাঁদা চেয়েছেন। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় দুজনের তর্ক। পরে ছাগলটি বিক্রেতার কাছে ফেরত দিলেন প্রবীণ। তিনি বললেন, গত বছর এখান থেকে ছাগল কিনেছি। কেউ হাসিলের নামে চাঁদা নিল না। এখনো দিব না।
পবিত্র ঈদুল আজহার আগে প্রতিবছরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কে ছাগল বিক্রি করতে দেখা যায়। এগুলো আনুষ্ঠানিক পশুর হাট নয়। ছোট পরিসরে স্থানীয়দের কাছে ছাগল বিক্রি করা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এভাবে কোরবানির পশু বিক্রিতে কোনো ইজারা দেওয়া হয় না। এরপরও হাসিলের নামে রসিদ কেটে আরামবাগের এখানে একেকটি ছাগলে এক হাজার টাকা করে চাঁদা নিতে দেখা গেল।
শান্তিনগর থেকে রহমান নামের আরেক প্রবীণ ব্যক্তি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ছাগল কিনতে আসেন। ২৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনেন তাঁরা। তাঁদের কাছেও শুরুতে ১ হাজার ১০০ টাকা ‘ইজারা ফি’ চাইলেন কয়েকজন তরুণ। পরে ১ হাজার টাকার একটি রসিদ কেটে দেওয়া হয়।































































































































































































































