আলভী বেঁচে থাকলে হয়তো আজ বাড়িতে ফিরত। দাদা-দাদির পাশে বসে হাসিমুখে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিত। ঘর ভরে উঠত ওর প্রাণখোলা হাসিতে। আজ সেই জায়গাজুড়ে শুধু নীরবতা আর অসীম শূন্যতা।
শহীদ সন্তানের কথা মনে করে ঈদের সময়টা কষ্টে কাটে বলে জানান আবুল হাসান। তিনি বলেন, ঈদ এলেই বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে। আলভীর ব্যবহৃত জিনিস, ওর স্মৃতি, হাসি—সবকিছু আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
আবুল হাসান বলেন, ‘আলভী শুধু আমাদের সন্তান ছিল না; সে ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভালোবাসা, আমাদের ভবিষ্যৎ। আজ সে নেই, কিন্তু ওর স্মৃতি প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের হৃদয়ে জীবন্ত হয়ে আছে। ঈদের আনন্দের মাঝেও তাই চোখ ভিজে যায় বারবার।’































































































































































































































