হাকালুকি হাওরে তিন বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ব্ল্যাক রাইস বা কালো ধানের আবাদ করেছিলেন দুই বন্ধু নূরুল তাপাদার (৩২) ও আল-আমিন (৩০)। ফলনও ভালো হয়েছিল। অন্য ধানের চেয়ে এ জাতের ধানের বাজারমূল্য প্রায় দ্বিগুণ। তাই এটি চাষে ঝোঁকেন তাঁরা। কালো ধানের চাষ করে বাড়তি আয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন দুজন। কিন্তু সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলে অন্যান্য কৃষকের মতো তাঁদের জমির ফসলও পানিতে ডুবে গেছে, সঙ্গে ডুবে যায় তাঁদের স্বপ্নও।
দুই বন্ধু জানান, কুমিল্লার মঞ্জুরুল আলম দেশের বিভিন্ন এলাকার চাষিদের কাছ থেকে কালো ধান কিনে চাল তৈরি করেন। তিনি (মঞ্জুরুল) ওই চাল প্যাকেটজাত করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করেন। এবার মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ কালো ধানের বিক্রয়মূল্য আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কালো চালে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে। এ ছাড়া এসব চাল ফাইবার, প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ। এসব তথ্য জানিয়ে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল আলম খান বলেন, কালো চালে সাদা চালের চেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে।






























































































































































































































