হাওরের কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্�্ত্রী আসাদুল হাবিব বলেন, হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এবং হাওর পরিস্থিতি নিয়ে করণীয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। হাওরে ঠিকাদার পোষা, আর এদিক-ওদিক করার প্রকল্প নেওয়া যাবে না। জনগণের টাকা অপচয় করা যাবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে কিছু কথা শোনা যাচ্ছে। তালিকা তৈরিতে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা টানা তিন মাস সরকারের সহযোগিতা পাবেন। এ জন্য তাঁদের কার্ড দেওয়া হবে।
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই গণতান্ত্রিক সরকার সব সময় থাকবে। সুনামগঞ্জ একফসলি এলাকা উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কৃষকেরা এই ফসলের ওপরই নির্ভরশীল। হাওরে বজ্রপাতের মৃত্যুঝুঁকি কমাতে বেশি বেশি শেল্টার (আশ্রয়কেন্দ্র) নির্মাণ করা হবে।’
সুনামগঞ্জের হাওরে জলাবদ্ধতা ও পানির সমস্যার সমাধানে করণীয় নির্ধারণে প্রকৌশলীদের কাজে লাগিয়েছি। আমাদের মূল কাজ হচ্ছে, আগামী দিনে যেন হাওরের কৃষক আর এভাবে সংকটে না পড়েন। এই সংকট যেন বারবার না হয়। এ জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।’
বিকেলে দুই মন্ত্রী এবং অন্যরা জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার করচার হাওরপারের ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ কৃষকের হাতে সরকারি সহায়তা তুলে দেন। প্রত্যেক কৃষককে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।






























































































































































































































