কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের গোপদিঘি ইউনিয়নের বজরপুর হাওরের কৃষক ফাইজুল ইসলাম বলেন, চড়া সুদে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তিনি এবার খেত বেচ্চে ঋণ দিতে অইবেন। তিনি বলেন, আমার তো মনে হরেন ছয় মাসে একটা ইনকাম। আমরা বেটাইনতের এনতো কাত্তি মাসে ঋণ আন্নে ডারসে গিরস্থি করি আর বৈশাখ মাসে ঋণ উলারে দেই। ইবার তো কিস্তাই নাইগে, এহন খায়ামই কী আর মাজনরে কী দেম?
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলসহ জেলার ১৩টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৭৯ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার কৃষক। এতে জেলায় আনুমানিক ৩০০ কোটি টাকার ফসলহানি হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। অনেক কৃষকের অভিযোগ, প্রাথমিক জরিপে সব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে আসেনি। হাওরে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, পানিনিষ্কাশনের পথ পলি জমে বন্ধ হয়ে যাওয়া ও অধিকাংশ জলকপাট (স্লুইসগেট) অকেজো থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে পারেনি। এতে বন্যা ছাড়াই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে হাজার হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে।































































































































































































































