রাজশাহীর পবা উপজেলার চাষিরা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) নির্ধারিত পরিবেশকের কাছ থেকে ভিত্তিবীজ 'ব্রি ধান–৮৮' চাষ করে প্রতারিত হয়েছেন। তাঁরা বলছেন, তাঁদের সর্বনাশ হয়ে গেছে। বিএডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, ব্রি ধান–৯২–এর বীজ এই জাতের সঙ্গে কোনোভাবে মিশে গেছে। কীভাবে এটা হলো, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
চাষিরা হরিপুর ইউনিয়নের ডিলার আনারুল ইসলামের কাছ থেকে বীজ কিনেছেন। জানতে চাইলে আনারুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রায় ২০ জন চাষির কাছে এই ধানের বীজ বিক্রি করেছেন। সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি সব চাষির সই নিয়ে বিএডিসির উপপরিচালকের কাছে চাষিদের ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন।
বিএডিসি রাজশাহীর উপপরিচালক এ কে এম গোলাম সারওয়ার বলেন, দু–একজন তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি পবা উপজেলার হরিপুর মাঠে গিয়েছেন। তবে তিনি দাবি করেন, যে মাঠগুলো দেখেছেন, তাতে দুই রকম ধান ছিল। বিষয়টি ঢাকায় তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রধান কার্যালয়ে জানিয়েছেন।































































































































































































































