ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় দুই স্কুলছাত্রীর আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। আহত দুই ছাত্রীর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনার পর তাদের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ করে ছাত্র-জনতা। এ সময় মহাসড়কের দুই প্রান্তে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিক্ষোভকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত দুই ছাত্রী বাঁশবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানের কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে অবরোধে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ জনতা।

দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলে, বাঁশবাড়িয়ায় সড়কের পাশে অবৈধভাবে বাঁশ ও কাঠের দোকান দেওয়া হয়েছে। বিক্রির জন্য রাখা বাঁশ-কাঠের কারণে শিক্ষার্থীদের মহাসড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করতে হয়। দুই ছাত্রীও সড়ক দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। কাভার্ড ভ্যানটি তাদের চাপা দিয়ে পাশে রাখা বাঁশের স্তূপে ধাক্কা দেয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার পর থেকে বিক্ষোভকারীরা বাঁশবাড়িয়া এলাকার সড়কে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা। সড়কের মাঝে আগুন দিয়ে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান হাইওয়ে পুলিশ ও সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশের সদস্যরা। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁরা শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ওই দুই ছাত্রী আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে আহত দুই শিক্ষার্থীর নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি হাইওয়ে পুলিশ।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।