আম্পানের বেড়িবাঁধে জীবন টিকে থাকার লড়াই

আম্পানের বেড়িবাঁধে জীবন টিকে থাকার লড়াই

২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এখনো অনেকেই বাঁধের ঢালে বসবাস করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে শুনেছি। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, আমি এলাকা পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তাঁদের কীভাবে আবাসনের ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেব।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ বলেন, আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬০০ পরিবার এখনো পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর বসবাস করছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রায় ২০০ পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাজের অভাবে অনেক মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। প্রতিবছর এই সংখ্যা বাড়ছে। ৫৫ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে অন্তত আট কিলোমিটার এখনো খুব ঝুঁকিপূর্ণ। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বারবার বলা হচ্ছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হয়নি।

প্রতাপনগর ইউনিয়নের বহু মানুষের কাছে আম্পান যেন এখনো শেষ হয়নি। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সাতক্ষীরা থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরে প্রতাপনগর ইউনিয়নের শ্রীপুর, কুড়িকাউনিয়া, হরিশখালি, বন্যতলা, দিঘলারআইট ও দুর্গাতলারআটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, ভাঙা বেড়িবাঁধের ঢালে, সড়কের পাশে কিংবা নদীর কিনারে ছোট ছোট ঝুপড়িতে এখনো বাস করছেন শত শত মানুষ।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।