দেড় হাজারের বেশি বই নিয়ে একটি গ্রন্থাগারও রয়েছে চুনতি লাইটহাউসে। দেয়ালে শোভা পাচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের আঁকা চুনতির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি। জানা গেল, প্রতিষ্ঠানটিতে কম্পিউটারের বেসিক অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, হার্ডওয়্যারসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘বর্তমানে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী এখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অনেকেই এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।
এ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একজন মুহিতুল হক। তিনি বলেন, ‘স্নাতক শেষ করে গ্রামে এসে সময় কাটানোর সময় লাইটহাউসে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেছিলাম। এখন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছি। এই প্রশিক্ষণই আমাকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে।
‘চুনতি লাইটহাউস’ পরিচালিত হয় খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে। ফাউন্ডেশনটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চক্ষু চিকিৎসা, শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষাসহায়তা, নারী উদ্যোক্তা তৈরি, সুদবিহীন কৃষিঋণসহ নানা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশ্বব্যাংকের লিড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট সুরাইয়া জান্নাতের উদ্যোগে ২০২২ সালের মে মাসে লাইটহাউসের যাত্রা শুরু হয়।































































































































































































































