ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম তার পাঁচ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। গতকাল শনিবার সকালে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে যান তিনি। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমির ধান তলিয়ে গেছে। পানি দেখে শ্রমিকেরা চলে যান। চোখের সামনে ফসল তলিয়ে যাওয়া দেখে জমিতেই অচেতন হয়ে পড়েন নজরুল।
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নজরুল-আহাদের মতো নাসিরনগর উপজেলার হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগ বলছে, অতিবৃষ্টিতে হাওরে পানি জমে নাসিরনগর উপজেলার প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির ধান এখন পানির নিচে। এতে ৮০০ থেকে ১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
গোয়ালনগর ইউনিয়নের কৃষকেরা জানান, সোনাতলা, গুরুহাজা, কাতলাপুর, দলিয়াবিল, সেতারি, মধ্যকান্দা, পুরাকান্দা, নেলিখ্যা, খারি, ঝামারবালি, খাসের চর, বলাচর, বন্দের বিল, দক্ষিণ চর ও কদমতলী বা হাওর আছে। সোনাতলার প্রায় ৩০০ কৃষকের প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি, ঝামারবালির শতাধিক কৃষকের প্রায় এক হাজার বিঘা জমি ও কদমতলীতে ২০০ থেকে ৩০০ কৃষকের এক থেকে দেড় হাজার বিঘা জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।































































































































































































































