বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন

বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন

সকাল ১০টায় ওয়ার্কশপ খুলি। বন্ধ করি সাতটায়। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। দোকানে তিনজন কর্মচারী কাজ করেন। তাঁদের দৈনিক তিন হাজার টাকা দিতে হয়। এ ছাড়া আনুষঙ্গিক খরচ তো রয়েছেই। তবে দিন শেষে তিন হাজার টাকার কাজও হয় না। লস টানতে টানতে অবস্থা কাহিল। নোয়াখালী শহরের লক্ষ্মীনারায়ণপুরের বাসিন্দা মো. বাবলু এসব কথা বলেন। তাঁর ছোট একটি কারখানা রয়েছে জেলা শহর মাইজদীর কলেজ রোডে। লোডশেডিংয়ের কারণে প্রতিদিনই তাঁর লোকসান গুনতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে প্রতিদিনই তাঁর লোকসান গুনতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে প্রতিদিনই তাঁর লোকসান গুনতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে প্রতিদিনই তাঁর লোকসান গুনতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটে নোয়াখালীর ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের কারণে প্রতিদিনই তাঁর লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এই সংবাদটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। প্রকাশিত তথ্যের সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা মূল প্রকাশকের।