কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের কুশিয়ারা থেকে কালাডুমুর পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার এলাকায় পাকা সড়কের দুই পাশে কালাডুমুর নদের বেড়িবাঁধজুড়ে সারি সারি কাঁঠালগাছে এবার অনেক কাঁঠাল ধরেছে। কোথাও গাছের চারপাশে বেড়া দিয়ে কাঁঠাল রক্ষা করা হচ্ছে, কোথাওবা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে গুনে দেখা হচ্ছে—একেকটি গাছে কতটি কাঁঠাল ধরেছে। যেন একটুকরো ‘কাঁঠালরাজ্য’। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সরেজমিন এ চিত্র দেখা যায়।
এ এলাকা একসময় বর্ষায় পানিতে তলিয়ে থাকত। দীর্ঘ সময় জমি প্লাবিত থাকায় তেমন কোনো ফসল আবাদ হতো না। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে ভোগান্তিও ছিল চরম। ১৯৮৬ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উদ্যোগে প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর বদলে যায় দৃশ্যপট। শুষ্ক মৌসুমে শুরু হয় ফসল চাষ আর বর্ষায় প্লাবনভূমিতে মাছ চাষ। ধীরে ধীরে বাঁধের ওপর নির্মিত হয় পাকা সড়ক। এরপর সড়কের দুই পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থানীয় লোকজন রোপণ করেন সারি সারি কাঁঠালগাছ। এখন এসব গাছ থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ করে নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি বিক্রি করেও আয় করছেন তাঁরা।
ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের কুশিয়ারা, কলিযোগ, নগরপাড়, আটিয়াখোলা, ভাসখোলা, কালাডুমুর, সিঙ্গুলা, আদমপুর ও বিটমান এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে অসংখ্য কাঁঠালগাছ। গাছে গাছে ঝুলছে বিভিন্ন আকারের কাঁচা ও আধপাকা কাঁঠাল। কোথাও কোথাও ফলের ভারে নুইয়ে পড়েছে গাছের ডালপালা। পুরো এলাকা এখন কাঁঠালময় হয়ে উঠেছে।































































































































































































































