ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া গ্রামে একটি খাল ছিল যা একসময় গ্রামবাসীর জীবনের অংশ ছিল। বর্ষার পানি আসলে খালটি জীবন্ত হয়ে উঠত। প্রথমে পানি নামত খালে, তারপর তা ছড়িয়ে পড়ত বিল-ঝিল ও নিম্ন ভূমিতে। কয়েক দিনের মধ্যেই ছোট নৌকা চলতে শুরু করত, মাছ ধরা শুরু হতো, আর পুরো গ্রাম যেন পানির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেত।
কিন্তু বর্ষা শেষে পানি কমতে শুরু করলে একে একে সব নৌপথ বন্ধ হয়ে যেত। তখন যাতায়াত হয়ে উঠত কষ্টসাধ্য—কখনো হেঁটে, কখনো ছোট নৌকায়, আবার কখনো পালকিতে। এই পুরো অঞ্চলের জীবনযাত্রা নির্ভর করত মৌসুমি পানির ওপর।
বালিয়া খাল শুধু পানির পথ ছিল না—এটি ছিল জীবনের অংশ। কৃষিকাজ, মাছ ধরা, বাজারে যাওয়া—সবকিছুই এই খালকে ঘিরে। বর্ষার প্রথম পানি পুকুরে ঢোকার দিনটি ছিল এক উৎসবের মতো। মাছের প্রাচুর্য, পানির উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন নতুন জীবন দিত।































































































































































































































